বাংলাদেশ, জাতীয়

গণতান্ত্রিক যাত্রা সুসংহত করতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সুসংহত ও টেকসই করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সুসংহত ও টেকসই করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, সেই দেশ কখনোই প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে না।

 

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আবারও গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হচ্ছে। এই অর্জনকে অর্থবহ করতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে গণতন্ত্রের ভিত কখনো মজবুত হতে পারে না।

 

বিচারব্যবস্থায় সবার সমান অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার কোনো বিশেষ শ্রেণির জন্য নয়, বরং তা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অর্থের অভাবে কোনো মানুষ যেন বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ বা ‘অ্যাক্সেস টু জাস্টিস’ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার আইনি সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে এবং এর পরিধি আরও বাড়ানোর কাজ চলছে।

 

তারেক রহমান আরও জানান, কোনো ভুক্তভোগী যেন কেবল অর্থসংকটের কারণে আইনজীবীর আইনি সহায়তা নিতে ব্যর্থ না হন, সে বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদারকি করছে। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়া সহজতর করতে সরকার ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাঁর প্রশাসন অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

ডিবিসি/টিবিএ

আরও পড়ুন