বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

লক্ষ্মীপুর ও গাইবান্ধায় তীব্র জ্বালানি সংকট: পাম্প বন্ধ করে কালোবাজারিতে তেল বিক্রির অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর ও গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দেশের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও গাইবান্ধায় পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের অভাব প্রকট আকার ধারণ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই সংকটের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দ্বিগুণ দামে তেল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

আমাদের লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কমলনগর উপজেলায় বিভিন্ন দোকানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটার অকটেন প্রায় ২০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। উপজেলার করুনানগর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই অরাজকতা চলছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

 

এদিকে, সংকটের এ খবর সংগ্রহ করতে গেলে‘ডিবিসি নিউজের সাংবাদিক সুমন উদ্দিনকে লাঞ্ছিত করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ভুক্তেভোগীদের সঙ্গে কথা বলার সময় জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে ওই নেতা সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা করে তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।  

 

অন্যদিকে, গাইবান্ধায় জ্বালানি সংকটের কারণে ফিলিং স্টেশনগুলো একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। শহরের অধিকাংশ পাম্পে এখন কোনো জ্বালানি নেই। হাতেগোনা দুই-একটি পাম্প সচল থাকলেও সেখানে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। আর মাত্র ১০০ টাকার তেল সংগ্রহ করতে  তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাম্পগুলোতে তেল না পাওয়া গেলেও ছোট দোকানগুলোতে কালোবাজারির মাধ্যমে চড়া দামে জ্বালানি মিলছে। সরকারিভাবে পর্যাপ্ত মজুতের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। এমনকি অগ্রিম টাকা দিয়েও তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

 

 দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পাওয়ায় ক্রেতা ও পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। দুই জেলার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই অরাজকতা ও কৃত্রিম সংকট নিরসনে দ্রুত সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন