গাজা উপত্যকা থেকে রান ভিলি নামে শেষ ইসরায়েলি জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর মাধ্যমে গত অক্টোবরে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপ কার্যকরের পথ প্রশস্ত হলো। এর ফলে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়া হতে পারে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদ্রাই জানান, ন্যাশনাল সেন্টার অফ ফরেনসিক মেডিসিন, ইসরায়েল পুলিশ এবং মিলিটারি র্যাবিনেটের সহযোগিতায় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া শেষে রান ভিলির পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এরপর তাকে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলি কতৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো, শেষ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধার হওয়ার পর রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে।
আদ্রাই নিশ্চিত করেছেন, গাজা উপত্যকায় জিম্মি থাকা সবাইকে এখন ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। রান ভিলি ছিলেন একজন পুলিশ সদস্য, যাকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় হত্যা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। তার দেহাবশেষ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২৫১ জন জিম্মিকে (জীবিত বা মৃত) ফিরিয়ে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা শেষ করল হামাস।
এদিকে, একই দিন ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ৯ জন ফিলিস্তিনি গাজার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে পৌঁছেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেড ক্রসের সহযোগিতায় তাদের সেখানে নিয়ে আসা হয়।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ এই সংঘাতে গাজার ৮০ শতাংশেরও বেশি ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ডিবিসি/এমইউএ