জেলার সংবাদ

গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

গাজীপুর প্রতিনিধি (রমজান)

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া গ্রুপের নীট কম্পোজিট ডিভিশন, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কারখানার মূল ফটকে ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের নামের তালিকা সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। আজ সকাল থেকেই কারখানার মূল ফটকে এসে শ্রমিকরা ভীড় করছেন। এসময় শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ করা যায়।

 

কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নতা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে ফ্যাক্টরীর উৎপাদন ও প্রশাসনিক খরচ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ সকল সেকশন/বিভাগ এবং ডিভিশন থেকে কিছু পদ বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০ মোতাবেক ফ্যাক্টরীর অতিরিক্ত শ্রমিক ও কর্মচারীদের আগামী ০৮/০৯/২০২৬ইং তারিখ থেকে ছাঁটাই করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ওই নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০ মোতাবেক আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধ করা হবে।

 

উল্লেখ্য থাকে যে, ভবিষ্যতে ফ্যাক্টরীতে পুনরায় নতুন কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে, শ্রম আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী এই ছাঁটাইকৃত দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হবে।  যে সকল শ্রমিক, কর্মচারীদের চাকরি বহাল রয়েছে তারা লে-অফ নোটিশের আওতাভুক্ত থাকবেন এবং আইন অনুযায়ী লে-অফ বেনিফিটের সকল সুবিধা পাবেন। যাদের চাকুরী এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত আছেন, তাদের নামের তালিকা এবং পদবী এই নোটিশের সাথে সংযুক্ত করা হলো।

 

এ বিষয়ে মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন,ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে শ্রমও আইন অনুযায়ী সকল পাওনাদি
পরিশোধ করা হবে। গাজীপুর শিল্প পুলিশ -২ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন,কেয়া গ্রুপের কিছু শ্রমিক ছাঁটাই এর নোটিশ পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার মূল ফটকে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি জিএমপি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য গত ৬ জুন ২০২৬ ইং তারিখ থেকে ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণ দেখিয়ে কারখানা টি অদ্যবধি পর্যন্ত লে- অফ বর্ধিত রয়েছে। 

 

ডিবিসি/এফএইচআর

আরও পড়ুন