গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত স্বামী আল আমিন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে সোমবার (৬ জুলাই) রাতে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুলাই বর্না খানম তার স্বামী আল আমিন ব্যাপারী এবং তিন সন্তানকে নিয়ে কাশিয়ানী উপজেলার ধানকোড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। এরপর সোমবার (৬ জুলাই) স্বামী আল আমিন পরিকল্পিতভাবে বর্নাকে শ্বশুরবাড়ির পেছনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে হত্যার পর মরদেহ পুকুরপাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি
।
এ সময় পালানোর দৃশ্য নিহতের ছেলে দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে বাড়ির অন্য লোকজন ছুটে এলে পুকুরপাড়ে বর্না বেগমের নিথর মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে কাশিয়ানী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কাশিয়ানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযানে নামে এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে সোমবার রাতেই ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত আল আমিন ব্যাপারীকে আটক করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আল আমিন ব্যাপারীকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি ১৬৪ ধারায় বিচারকের কাছে স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডিবিসি/এমএনকে