চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ডিসেম্বরে টানেল উদ্বোধনের পর যান চলাচল শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। এছাড়া দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উম্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কর্ণফুলী নদীর দুইপাড়ে চীনের সাংহাইয়ের আদলে 'ওয়ান সিটি টু টাউন' গড়ে তুলতে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে টানেলের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। সাড়ে ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই টানেলের নির্মাণ কাজ করছে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
টানেলকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর ওপারে গড়ে তোলা হয়েছে কোরিয়ান ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল। পতেঙ্গার নেভাল একাডেমি থেকে কর্ণফুলীর দক্ষিণ তীর আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলা টানেলের মাধ্যমে মূল নগরীর সঙ্গে যুক্ত হবে।
চালু হলে কর্ণফুলী টানেলকে কেন্দ্র করে শুরু হবে অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। এজন্য আগে থেকেই মহাপরিকল্পনার কথা জানান বিশেষজ্ঞরা। নিরাপত্তার জন্য টানেলের দুই প্রান্তে দুটি থানার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
টানেল ও সংযুক্ত সড়ক তৈরিসহ বর্তমানে ৮৭ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে। নির্মাণের পর এই টানেল হবে দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশে প্রথম টানেল।