চট্টগ্রাম নগরীর চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সম্পদের পরিমাণে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও বাৎসরিক আয়ে শীর্ষে রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা।
বিএনপির বেশিরভাগ প্রার্থীর পেশা ব্যবসা, অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থীরা মূলত চিকিৎসক। তবে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রকৃত সম্পদের চেয়ে হলফনামায় দেখানো সম্পদের পরিমাণ কম বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান নগরীর সবচেয়ে ধনী প্রার্থী। রাজনীতিতে নতুন হলেও প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমানের এই সন্তানের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩০ কোটি টাকার বেশি।
অন্যদিকে, বাৎসরিক আয়ের দিক থেকে সবার উপরে আছেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যার বার্ষিক আয় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা। পারিবারিক সম্পদ বিবেচনায় নিলে সবচেয়ে ধনী চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ, যার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট সম্পদ প্রায় ৩২ কোটি টাকা।
বিপরীতে, জামায়াতের চার প্রার্থীর মধ্যে ধনাঢ্য হিসেবে এগিয়ে আছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের ডা. একেএম ফজলুল হক, যার সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। আয়ের দিক থেকে জামায়াতের শীর্ষে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের ডা. আবু নাসের, যার বার্ষিক আয় ৪৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
হলফনামায় প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগ নিয়ে সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন স্পষ্ট জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হলেও হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।
ডিবিসি/ এইচএপি