নাহিদের চোট কি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক, নাকি চাইলেই এই পেসারের ইনজুরি এড়াতে পারতো বিসিবি। প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যায় নাহিদের ওয়ার্কলোড নিয়ে সতর্কতা অবলম্বনের বার্তা মিললেও অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে নাহিদকে খেলানোই শেষ পর্যন্ত কাল হলো বাংলাদেশের।
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে গতির ঝড় তুলবেন নাহিদ, এমন দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় ছিল সবাই। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চোটে পড়ে সেই স্বপ্ন চুরমার। মাঠের বাইরেই এখন এই পেসারকে কাটাতে হবে প্রায় দুই মাস। এরপর থেকেই ক্রিকেট মহলে প্রশ্ন, নাহিদকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলানো খুব কি জরুরি ছিল। প্রশ্ন উঠেছে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়েও। যদিও প্রধান নির্বাচকের বার্তায় সতর্কতা অবলম্বনের বার্তা মিলেছে। কিন্তু এটাও সত্য অস্ট্রেলিয়া সিরিজ মাথায় রেখে টি-টয়েন্টিতে নাহিদকে বিশ্রাম দেয়া হতো সঠিক সিদ্ধান্ত
প্রধান নির্বাচকের কথায় এটা পরিষ্কার, যে ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনায় হয়তো গাফলতি ছিল না। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে নাহিদকে নিয়ে রিস্ক নেয়াটা কি ভুল নয়, হয়তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি জিততে পূর্ণ শক্তির দলের ওপরই নির্ভর করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
নাহিদের না থাকা বাংলাদেশের জন্য কতটা ক্ষতি না একটা পরিসংখ্যান দেখলেই পরিষ্কার, আগে গতির ঝড় তোলায় নাম থাকতো স্টার্ক আর্চারদের, এখন তাদের টপকে সবার ওপরে নাহিদ। ধারাবাহিকভাবে গতিতে বল করায় নাহিদের গড় ১৪১ দশমিক পাচ চার। শুধু তাই নয় এ বছর এখন পর্যন্ত ১৬ ম্যাচে ৪৪ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। বিশ্ব ক্রিকেটে নাহিদ এখানেও সবার ওপরে।
তবে দুঃজনক আসন্ন সিরিজে স্টার্কের গতি দেখা গেলেও দেখা যাবেন না নাহিদ রানাকে। প্রায় দুই যুগ পড় লড়াইটা হতে পারতো গতির লড়াই। তবে সেই স্বপ্ন এখন চুরমার।
ডিবিসি/এফএইচআর