আন্তর্জাতিক, অন্যান্য

চাপের মুখেও পদত্যাগ করছেন না যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ ক্রমশ বাড়ছে। তবে দলের অভ্যন্তরে তীব্র অসন্তোষ থাকলেও এখনই দায়িত্ব ছাড়তে রাজি নন তিনি। সোমবার (১১ মে) লন্ডনে লেবার পার্টির এক অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে স্টারমার নিজের অনড় অবস্থানের কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির আশানুরূপ ফল না আসায় স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দলের অনেক পার্লামেন্ট সদস্য। একাধিক এমপি সরাসরি তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই রাজনৈতিক সংকটের মুখে আজ সোমবার জনসমক্ষে আসেন প্রধানমন্ত্রী। ভাষণে তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখেও তিনি হাল ছাড়ছেন না এবং সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন।


ভাষণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন কিয়ার স্টারমার। সেখানে উঠে আসে তার সম্ভাব্য শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী এবং ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রসঙ্গ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বার্নহ্যামকে স্টারমারের বিকল্প হিসেবে দেখছেন। তবে বার্নহ্যামের জন্য প্রধান বাধা হলো তিনি বর্তমানে পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) নন। যুক্তরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী, এমপি না হয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব নয়।


বার্নহ্যামকে ভবিষ্যতে কোনো উপ-নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেওয়া হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে স্টারমার কৌশলী উত্তর দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যেকোনো নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি (এনইসি)।


উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতেই এনইসি বার্নহ্যামের নির্বাচনে লড়ার পথ আটকে দিয়েছিল। তখন স্টারমারের উপস্থিতিতেই কমিটি যুক্তি দেখিয়েছিল যে, বার্নহ্যাম মেয়র পদ ছাড়লে সেখানে নতুন করে উপ-নির্বাচন করতে হবে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। মূলত এই আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণেই বার্নহ্যাম এই মুহূর্তে স্টারমারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাতে পারছেন না।


রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পদত্যাগের দাবি নাকচ করলেও দলের ভেতরে নিজের জনপ্রিয়তা টিকিয়ে রাখা এখন স্টারমারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


সূত্র: বিবিসি


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন