রাজধানী

চারুকলা থেকে বের হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৫ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। এবারের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।

শোভাযাত্রার আগে সকাল নয়টা তিন মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং নয়টা ছয় মিনিটে মূল আনন্দযাত্রা শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। 

 

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নেয়। এরপর রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হয়।

 

এবারের শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে পাঁচটি প্রধান মোটিফ বা প্রতীক প্রদর্শন করা হয়। এগুলো হলো- মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়া। এর মধ্যে মোরগ নতুন সূচনা ও জাগরণের প্রতীক হিসেবে অন্ধকার দূর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। দোতারা বাঙালির সাংস্কৃতিক শেকড় ও লোকসংগীতের প্রাণ হিসেবে বাউল শিল্পীদের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে সংগীতের মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। 

 

নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত কাঠের হাতি লোকজ ঐতিহ্য, শক্তি ও আভিজাত্যের প্রতীক। অন্যদিকে, টেপা আকৃতির ঘোড়া গ্রামবাংলার সরল জীবন ও শৈশবের স্মৃতি এবং পায়রা সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও বৈশ্বিক শান্তির বার্তা বহন করে।

 

শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এবারের পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মুখে মুখোশ পরা নিষিদ্ধ থাকায় অংশগ্রহণকারীদের চারুকলা অনুষদের তৈরি মুখোশগুলো হাতে নিয়ে প্রদর্শন করে আনন্দ উদযাপন করতে দেখা যায়।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন