বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

চীনের করিডোর প্রস্তাবে জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে সরকার কিছুই করবে না: পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা

কক্সবাজার প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক এবং চীনসহ বৃহৎ দেশগুলোর সাথে বহুপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ‘দক্ষিণ এশিয়ান একাডেমি ফর ইন্টারন্যাশনাল লিডারশীপ’-এর তিন দিনের একাডেমি প্রোগ্রামের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেয়া চীনের প্রেসিডেন্টের অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাবটিকে বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। কক্সবাজার দিয়ে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত এই করিডোর কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে সরকার কোনো কিছুই করবে না।

 

উদ্বোধন হওয়া তিন দিনের এই একাডেমি প্রোগ্রামে বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জেসিআই সদস্য, তরুণ নেতা, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জেসিআই নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ২০২৬ সালের জেসিআই ওয়ার্ল্ড প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রা কাস্তিযো, জেসিআই ভারতের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ভারত এন. আচার্য, জেসিআই নেপালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট সিনেটর জীবন কার্কি এবং জেসিআই শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জে.সি. সান্দুন উইরাসিংহে। তাঁদের এই উপস্থিতি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের দৃঢ় বার্তা বহন করছে।

 

তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এই একাডেমিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব উন্নয়নবিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিমূলক যৌথ কার্যক্রম এবং বিশ্বখ্যাত নেতৃত্ব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেবেন। পাশাপাশি সুস্থতা বিষয়ক কার্যক্রম, নেটওয়ার্কিং সেশন, সমুদ্রসৈকতভিত্তিক সামাজিক আয়োজন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন