জেলার সংবাদ, স্বাস্থ্য

চুয়াডাঙ্গায় শীতজনিত রোগের সংক্রমণ বাড়ছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

শনিবার ১৭ই জানুয়ারী ২০২৬ ০৭:৩৫:২৩ পূর্বাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

কনকনে শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিললেও উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাপন।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। এর আগে গতকাল শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

কুয়াশা কেটে গেলেও হিমেল বাতাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া, দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ। খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। শীতের কারণে অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ। 

 

শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতজনিত রোগের সংক্রমণও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। নির্ধারিত শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন। এত রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও সেবিকাদের। এছাড়া পুরোনো কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।

 

এদিকে জেলার চারটি উপজেলায় শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রায় ১৮ হাজার কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ১৭ লাখ টাকা নগদ সহায়তা পাওয়া গেছে। ওই অর্থ দিয়ে ইতোমধ্যে শীতবস্ত্র ক্রয় করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় এ সহায়তা অত্যন্ত অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কম থাকায় চুয়াডাঙ্গায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন এই তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে।

 

ডিবিসি/কেএলডি

আরও পড়ুন