শিক্ষা

ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের দুদিন পরেও থমথমে ইবি, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

ইবি প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রদল নেতা কর্তৃক ছাত্রশিবিরের হল সেক্রেটারিকে থাপ্পড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়ার দুদিন পরও ক্যাম্পাসে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। সম্ভাব্য উত্তেজনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো হয় পুলিশের সংখ্যা। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। প্রতিদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসজুড়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

 

এদিকে, আজ দুপুরে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

উত্তেজনার বিষয়ে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান বলেন, ‘আমরা জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি স্থগিত করবেন বলে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দও জানিয়েছেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা কর্মসূচি না দিলে তারাও কোনো কর্মসূচি করবেন না। আমরা উভয়পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছি।’

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তারা ক্যাম্পাসে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনও চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 

ডিবিসি/এসডব্লিউএন

আরও পড়ুন