জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো মাসুদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
আদালতে পেশ করা পুলিশের আবেদনে বলা হয়, মাসুদ মালয়েশিয়ায় থাকাকালে হামাস, তালেবান এবং আল-কায়েদার বিভিন্ন ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করায় সে দেশের পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর মালয়েশিয়ার আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে তাকে হস্তান্তর করে। এরপর অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রাথমিকভাবে ফেসবুক পোস্টের কথা স্বীকার করেছেন মাসুদ। পুলিশ জানায়, আসামি কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কি না বা জঙ্গি কার্যক্রমে অর্থের যোগানদাতা কারা, তা নিশ্চিত হতে রিমান্ড প্রয়োজন।
শুনানির সময় আদালতের প্রশ্নের জবাবে মাসুদ জানান, তিনি চার বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি প্লাস্টিক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ‘ইসলামী মাইন্ডের’ হওয়ায় তিনি তালেবান ও হামাসের পক্ষে ফেসবুকে লেখালেখি ও পোস্ট করতেন বলে স্বীকার করেন। তবে এসব সংগঠনের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো যোগাযোগ নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
বিচারক তাকে বিদেশে গিয়ে এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, বুঝে বা না বুঝে এমন কাজ নিজেকে ও অন্যদের বিপদে ফেলে। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিলেও মাসুদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
ডিবিসি/টিবিএ