বাংলাদেশ, রাজনীতি

জ্বালানি সংকট না থাকলে লোডশেডিং কেন: জামায়াত আমির

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের খবর অস্বীকার করা হলেও দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট যদি না-ই থাকে, তবে প্রতিদিন কেন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে?”

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা আমির সম্মেলনের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।


শফিকুর রহমান বলেন, “সরকারি ভাষ্যমতে জ্বালানি সংকট নেই। অথচ ঘোষিতভাবে লোডশেডিং এখন সর্বনিম্ন ৬ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা। অঘোষিতভাবে এই মাত্রা আরও বেশি। আমাদের জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট না থাকলে মানুষ কেন এই ভোগান্তিতে পড়বে?”


তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিটি খাতে চাঁদাবাজির হার দিন দিন বাড়ছে। দ্রব্যমূল্যের জাঁতাকলে সাধারণ মানুষ পিষ্ট হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং বাড়তি চাঁদার চাপ সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যাপক ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা এর প্রথম রাজসাক্ষী। আর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নিজেই বলেছেন যে, অধ্যাপক ইউনূস যুক্তরাজ্যে গিয়ে ক্যাপ্টেনের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছেন। ট্রফি যদি আগেই তুলে দেওয়া হয়, তবে নির্বাচনের সার্থকতা কোথায় থাকে?


তিনি আরও বলেন, সরকার এখন গণভোটকে অবৈধ বললেও এই প্রস্তাব তারাই দিয়েছিল। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ের গণভোট বৈধ হলে বর্তমানের গণভোট কেন নাজায়েজ হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।


ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে ভুল পথ পরিহার করে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ফ্যাসিজম থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জারি করা অধ্যাদেশগুলো দ্রুত বিল আকারে জাতীয় সংসদে আনার দাবি জানান তিনি।


সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম ও হামিদুর রহমান আযাদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন