গত পাঁচ বছর ধরে জয়পুরহাটের সাবরেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে বালাম বইয়ের সরবরাহ নেই।
এতে দলিলের মূল কপি ফেরত পেতে কয়েক মাস, কোন কোন ক্ষেত্রে বছরও লেগে যাচ্ছে। এরই জেরে জেলায় কমে গেছে জমি বিক্রি, বেড়েছে জমি সংক্রান্ত জটিলতা।
জয়পুরহাটের গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজার ও আবাদী জমিতে জমি বিক্রির নোটিশ টানানো থাকলেও কমে গেছে জমি বেচা-কেনা। জমি বিক্রি হতে লেগে যাচ্ছে মাসের পর মাস, কোন কোন ক্ষেত্রে বছর।
২০১৫ থেকে বালাম বইয়ের সরবরাহ নেই জেলায়। এতে দলিলের মূল কপি ফেরত পাওয়া নিয়ে কাটছেনা অনিশ্চয়তা। ইচ্ছা ও সামর্থ থাকলেও জমি কেনায় বাড়ছে অনীহা। কারণ জমির প্রকৃত মূল্যের চেয়ে সরকারি মূল্য ও রেজিস্ট্রি খরচ বেশি।
বালাম বইয়ে দলিলের কপি করার কাজে নিয়োজিত মোহুরীরা কাটাচ্ছেন অলস সময়। আর সময় মতো গ্রাহকদের হাতে দলিল পৌঁছে দিতে না পারায় রেজিস্ট্রি অফিসে বাড়ছে দলিলের স্তুপ।
জমি নিয়ে ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে জেলা দলিল লেখক কল্যাণ সমিতি।
দূর্ভোগের কথা স্বীকার করে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলছেন জয়পুরহাট জেলা সাব-রেজিস্ট্রার নজরুল ইসলাম।
বিধি অনুযায়ী জমি রেজিস্ট্রির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল ফেরত পাওয়ার কথা মালিকদের। কিন্তু জয়পুরহাটে মাসের পর মাস ঘুরেও দলিল হাতে পাচ্ছেন না তারা। বালাম বই এর সরবরাহ নিশ্চিত করে জমি নিয়ে জটিলতা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চান জয়পুরহাটবাসী।