ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সাফদারপুর পুলিশ ক্যাম্পে হাতকড়া পরানোর সময় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার পর রাতভর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী ধোপাবিলা গ্রাম থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
পলাতক ওই আসামির নাম ফরিদ হোসেন (২৮)। তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুরি ও মারধরের অভিযোগে নিজ মায়ের দায়ের করা একটি মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন ফরিদ। তবে মামলাটি ঠিক কতদিন আগে দায়ের করা হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি।
জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা গ্রাম থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফরিদ হোসেনকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে সাফদারপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। সেখানে হাতকড়া পরানোর সময় সুযোগ বুঝে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
আসামি পালিয়ে যাওয়ার পরপরই সাফদারপুর পুলিশ ক্যাম্প ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে তাকে ধরতে মাঠে নামে। রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর, অবশেষে শনিবার সকালে পার্শ্ববর্তী ধোপাবিলা গ্রামে ফরিদের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘ক্যাম্প থেকে আসামি ফরিদ হোসেন পালিয়ে যাওয়ার পরপরই তাকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। এরপর শনিবার সকালে তারই এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফরিদ হোসেনকে ইতোমধ্যে থানা থেকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডিবিসি/এমএনকে