ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মুকুল মল্লিক হত্যা মামলায় নিহতের স্ত্রীসহ তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি মো. ফারুক হোসেন ও মো. মাসুদ রানাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাতে পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন মুকুল মল্লিক। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ১৩ এপ্রিল হরিণাকুণ্ডু থানার গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের মা আর্জিনা বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই হরিণাকুণ্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, পরকীয়ার জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৬ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নিহতের স্ত্রী মোছা. ফিরোজা খাতুন এবং একই এলাকার মো. আলমগীর হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. আলমগীর হোসেন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আদালত তার সাজা উল্লেখপূর্বক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিবিসি/এমএনকে