টাঙ্গাইলের করটিয়া হাটটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাইকারী কাপড়ের হাট। ঈদকে সামনে রেখে গেল হাটে এবার বেচাকিনি হয়ে প্রায় সাড়ে তিনশ কোটি টাকার কাপড়। দুই বছরের করোনার মন্দার পর প্রতি হাটেই এই পরিমাণ বেচাকিনি হলেও হাট কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনার আগের তুলনায় তা অনেক কম।
দেশের অন্য হাটগুলি দিনের বেলায় জমজমাট থাকলেও টাঙ্গাইলের করটিয়ার এই হাটটি একটু ভিন্ন। রাত যত গভীর হয় ততোই বেচাবিক্রিতে সরগরম হয়ে উঠে হাট এলাকা। সপ্তাহের প্রতি সোমবার রাত থেকে শুরু হয়ে তা চলে মঙ্গলবার সারাদিন। টাঙ্গাইলে বিখ্যাত তাঁতের শাড়ীকে কেন্দ্র করে প্রায় দুইশ বছর ধরে চলে আসছে হাটের এমন আয়োজন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা এই হাট। তবে নানা উপকরণের দাম বাড়ায় বিক্রি কম হওয়ায় তাতে কিছুটা তা মলিনতার সুর। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা আসে। তবে করোনার কারনে কমেছে ক্রেতা ও বিক্রি।
প্রতি কাপড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে ফেলেছে খুচরা ক্রেতা-বিক্রেতাদের। অর্থনৈতিক মন্দা, উপকরণের দাম বৃদ্ধি ও রাস্তাঘাটের খারাপ দশা না হলে প্রতি হাটেই বেচাবিক্রি ৫শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত বলে দাবি হাট কমিটির। টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির ছাড়াও দেশের নানা প্রান্তের তৈরি কাপড় নায্য দামে বিক্রি হয় বলেই এই হাটটির এত সুনাম ও ব্যবসয়ীদের আস্থার অপর নাম করটিয়ার কাপড়ের হাট।