উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে যমুনাতীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। আর, বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ব্রম্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমরসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে।
টাঙ্গাইলের সদর, ভূঞাপুর, নাগরপুর ও কালিহাতীর তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। ওই সকল এলাকার নিম্ন-চরাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধনের অভিযোগ স্থানীয়দের। গত একমাসের ভাঙনের ফলে সরকারি স্থাপনা ও শতাধিক বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হলেও ভাঙনরোধে কার্যকর কোন উদ্যোগ না নেয়ার অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে।
ইতিমধ্যে সদরের তিনটি, নাগরপুরের তিনটি, কালিহাতীর দুইটি ও ভূঞাপুরের চারটি ইউনিয়ন ভাঙনের কবলে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে বন্যা ও ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধির আশঙ্কা স্থানীয়দের।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ৩৮ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রম্মপুত্রের পানি ১৪ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর, নুনখাওয়া, নারায়ণপুর ও সাহেবের আলগা ইউনিয়নের অন্তত ৩০টি চরে পানি ঢুকে পড়েছে। তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের উঠতি ফসল বাদাম, তিল, কাউন, পাটসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্ষেত। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে নদ-নদীর ভাঙ্গন।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম জানান, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।