কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালীপাড়া সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সুমাইয়া ওই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ছিদ্দিক আহমদের মেয়ে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের দুটি দলের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী তীব্র গোলাগুলি চলে। একদল সন্ত্রাসী পাহাড়ের চূড়ায় এবং অন্যদল পাহাড়ের নিচে অবস্থান নিয়ে গুলিবর্ষণ করছিল। মাগরিবের আজানের সময় গোলাগুলির শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যরা পরিস্থিতি দেখতে ঘরের বাইরে বের হন। এ সময় হঠাৎ একটি গুলি এসে সুমাইয়ার বুকে বিদ্ধ হয়। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, সুমাইয়া পানি আনতে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
ঘটনার পরপরই স্বজনরা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নওশদ আলম কানন জানান, হাসপাতালে আনার প্রায় ৩০ মিনিট আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। তার বুকে গুলির চিহ্ন ছিল।
খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ডিবিসি/আরএসএল