ফুটবল

ট্রাম্পের সাথে হাত মেলালেন না আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার রোমেরো

খেলা ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১৯ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি মাঠের ফুটবলের চেয়েও ভিন্ন কারণে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রানার্সআপ মেডেল নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানান আর্জেন্টিনার তারকা ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। একই সাথে মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকদের প্রবল দুয়োধ্বনিরও শিকার হন ট্রাম্প।

পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মেডেল পরিয়ে দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবম। ২৮ বছর বয়সী টটেনহ্যাম ডিফেন্ডার রোমেরো মেডেল নেওয়ার সময় ইনফান্তিনো এবং শিনবমের সাথে হাত মেলালেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পুরোপুরি এড়িয়ে যান। এর আগে ম্যাচের ৭০তম মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই সেন্টার-ব্যাক। প্রথমার্ধের শেষের দিকে তার রক্ষণভাগের সঙ্গী লিসান্দ্রো মার্টিনেজও চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হলেও ফাইনালে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের কারণে এবার শিরোপা ধরে রাখতে ব্যর্থ হলো রোমেরোর আর্জেন্টিনা।

 

এবারের বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশের প্রতিনিধি হিসেবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবমের সাথে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। তবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সাথে তিনি যখন মাঠে প্রবেশ করেন, তখন পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে তীব্র দুয়োধ্বনি ও শিস বাজাতে শুরু করেন দর্শকরা। দর্শকদের এই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় স্টেডিয়ামের স্বাভাবিক ৭৮ ডেসিবেল শব্দমাত্রা মুহূর্তেই ৮৪ ডেসিবেলে পৌঁছে যায়। এই তীব্র অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মাঝেই ট্রাম্প খেলোয়াড়দের গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

 

গত বছর একই স্টেডিয়ামে চেলসির ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের সময়ও ট্রাম্প শিরোপা উদযাপনের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে ক্যামেরাবন্দী হয়েছিলেন। এবারও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে শিরোপা তুলে দেওয়ার পর, ট্রাম্প ছবির ফ্রেমে থাকার জন্য স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের উদযাপনের একেবারে সামনের দিকে অবস্থান নেন। যদিও পরবর্তীতে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো তাকে সুকৌশলে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। উল্লেখ্য, অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো এই ফাইনালে ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র দুর্দান্ত গোলে ২০১০ সালের পর নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে স্পেন।

 

সূত্র: ইয়াহু স্পোর্টস

 

ডিবিসি/ এসভিএন

আরও পড়ুন