বাংলাদেশ, রাজনীতি, শিক্ষা

ডাকসু নির্বাচনের প্রচারণা শুরু আজ

ডিবিসি ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

মঙ্গলবার ২৬শে আগস্ট ২০২৫ ০৮:২৯:২০ পূর্বাহ্ন
Facebook NewsTwitter NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার আজ থেকে শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত আচরণবিধি মেনে তাদের প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রচারণার শুরুতেই আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্বতন্ত্র ভিপিসহ দুই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুপারিশ করেছে ট্রাইব্যুনাল কমিটি।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থী ক্যাম্পাসে এবং আবাসিক হলগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক পরিচয়ে প্রচার কাজ চালাতে পারবেন। তবে ছাত্রী হলগুলোর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

কমিশন একটি কঠোর আচরণবিধিও জারি করেছে। আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রচারণার দিনগুলোতে কোনো প্রার্থী বা সংগঠন সামাজিক, আর্থিক বা সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। এছাড়াও, ক্যাম্পাসে বা হলে মাজলিশ-মাহফিল আয়োজন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচার চালানোকে নির্বাচনী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড 'নির্বাচন আচরণ বিধিমালা' এর ১৭ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

 

এদিকে, প্রচারণার প্রথম দিনেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুপারিশকে কেন্দ্র করে। রবিবার (২৪শে আগস্ট) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আপিল নিষ্পত্তি ও আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যালোচনার জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল কমিটি স্বতন্ত্র ভিপি পদপ্রার্থী মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার এবং বায়েজিদ বোস্তামীর প্রার্থিতা বাতিলের সুপারিশ করেছে।

 

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলিয়াস সিজার তালুকদার (অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগ, শিক্ষাবর্ষ ২০১৪-১৫) এবং বায়েজিদ বোস্তামী (রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, শিক্ষাবর্ষ ২০১৪-১৫) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। জুলিয়াস সিজার সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রার্থিতা বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং নির্বাচনী পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছেন যেখানে সকল প্রার্থী সমান সুযোগ পাবে।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন