রাজধানীর নির্বাচনী ময়দানে প্রার্থীদের মাঝে শুরু হয়েছে হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে প্রার্থীরা সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটলেও অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ হয়ে উঠছে উত্তপ্ত।
প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচারণায় বাধা ও হামলার অভিযোগ তুলছেন। এমনকি নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক প্রার্থী। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলেও দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির চিত্র বদলায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। উত্তরায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার না করা হলে উত্তরা অবরোধ করা হবে। তবে বিএনপি জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তারা ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনি নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে জনসংযোগ চালাচ্ছেন। ঢাকা-৮ এর জোট প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা দাবি করেছেন, তার পক্ষে জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে ডা. মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, জামায়াত পেছনের পথ দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।
আবার ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন জামায়াতের বিরুদ্ধে ভণ্ডামি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে কড়া সমালোচনা করেন। এসব প্রতিকূলতা ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যেই প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ডিবিসি/এসএফএল