ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আসন্ন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে জোরালোভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছাত্রনেতা সোহাগ ভূঁইয়া। সরকারবিরোধী আন্দোলন, দলের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তাকে নিয়ে এই আলোচনা চলছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে সোহাগ ভূঁইয়া শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সর্বশেষ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তার বিরুদ্ধে ৭৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার কারাবরণ ও রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হন।
এমনকি এই ছাত্রনেতাকে পাঁচ দিন গুম করে রাখা এবং তার পরিবারের ২১ সদস্যকে গ্রেপ্তারের অভিযোগও রয়েছে। পাঁচ দিন পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তার সন্ধান মেলে। একটি মামলায় আদালত তাকে ১০ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে এবং তিনি সেই সাজা ভোগ করছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি মুক্তি লাভ করেন। দলের ভেতর তিনি ‘মাঠের কর্মী’ ও ‘ত্যাগী ছাত্রনেতা’ হিসেবে সমধিক পরিচিত এবং নিজের ত্যাগ তাকে সাধারণ সম্পাদক পদের একজন যোগ্য দাবিদারে পরিণত করেছে বলে তিনি মনে করেন।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাঠে সক্রিয়, সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে দক্ষ ব্যক্তিদেরই এবার মূল্যায়ন করছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই বিবেচনায় সোহাগ ভূঁইয়া সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম শক্ত দাবিদার। তবে এ পদের জন্য আরও কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে।
ডিবিসি/আরএসএল