তরুণ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ও সমসাময়িক লেখালেখির কলাকৌশল শেখাতে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে ‘ওয়ার্কশপ অন রিসার্চ অ্যান্ড রাইটিং (সেশন ০১)’ শীর্ষক এ আয়োজন করে ইউআইইউ লিটারেচার অ্যান্ড রাইটার্স ফোরাম এবং ডিরেক্টরেট অব ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স (ডিসিসিএসএ)। এতে নলেজ পার্টনার হিসেবে ছিল ‘রিসার্চ বাডি’।
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাহিতুল ইসলাম বলেন, "লেখালেখি কোনো জটিল বিষয় নয়; প্রাত্যহিক জীবনের ছোট গল্প, সংগ্রাম ও স্বপ্নই সাহিত্যের আসল উপাদান। ডিজিটাল যুগে শব্দের শক্তি অনেক। নিজের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতাকে সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে পারলে সেই গল্পই ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে।"
সেশনে তিনি তরুণদের ডিজিটাল স্টোরিটেলিং, কনটেন্ট রাইটিং এবং লেখালেখিকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার বাস্তব দিকগুলো সহজ-সরল ভাষায় তুলে ধরেন। পাশাপাশি গবেষণার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ওমর ফারুক এবং আইইউটির সিএসই বিভাগের জুনিয়র লেকচারার আজওয়াদ আবরার।
মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম উল্লেখ করেন, অ্যাকাডেমিক পড়ার বাইরে গিয়ে এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।
মূল সেশন শেষে অনুষ্ঠিত হয় প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব। এতে শিক্ষার্থীরা বই প্রকাশ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে সরাসরি অতিথিদের সঙ্গে কথা বলেন। সমাপনী বক্তব্যে ডিসিসিএসএ-এর পরিচালক নাহিদ হাসান খান শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এমন আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক তানজিলা আমীর এবং ইউআইইউ লিটারেচার অ্যান্ড রাইটার্স ফোরামের সভাপতি লুৎফুল খবীর রাউফু, সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম ও অর্থ সম্পাদক বদরুল আলম লিয়নসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।