আশাবাদ আইনমন্ত্রীর

তিন মাসের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার রায় কার্যকর সম্ভব

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী তিন মাসের মধ্যে কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রবিবার (৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই; তবে আইনি প্রতিটি ধাপ ও স্তর পার করেই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এত বড় ও অমানবিক একটি ঘটনার বিচারকাজ এত দ্রুত সম্পন্ন হওয়া দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী আশা করেন, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।


রায় কার্যকরের বিষয়ে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, আইনি স্তরগুলো পার না করে তাড়াহুড়ো করে রায় কার্যকর করা হলে প্রশ্ন উঠবে। তাই আসামিপক্ষ যদি উচ্চ আদালতে যেতে চায়, সেখানেও সরকার আইনি ধাপ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। সব আইনি প্রক্রিয়া ও আপিল নিষ্পত্তি শেষে আগামী তিন মাসের মধ্যেই এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই মামলার আসামি স্বপ্না খাতুনকে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। এই মামলার বিচারকাজ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১ জুন সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ৭ জুন রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।


মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেয় স্বপ্না। পরে শিশুটির মা তাকে খুঁজতে গিয়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং একটি বালতির ভেতর খণ্ডিত মাথা দেখতে পান। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ২০ মে নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় এই হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন