ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসীর বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরোধে সংকল্পবদ্ধ কোনো জাতিকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করার শক্তি কারও নেই।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কোনো যুদ্ধের সূচনা করেনি। আমরা যুদ্ধকে স্বাগত জানাই না, তবে যেকোনো আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি নিয়ে শক্ত অবস্থান নেব। যে জাতি তার সমস্ত শক্তি ও সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, কোনো শক্তিই তাকে আত্মসমর্পণ করাতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, দেশের জনগণের সমর্থন, সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের আত্মত্যাগের ওপর ভর করে ইরান কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। অতীতে বহুবার যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে, ইরান কখনোই কোনো হুমকির কাছে নতজানু হবে না।
এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদী জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রয়েছে এবং যেকোনো জাহাজ কেবল ইরানের অনুমতি নিয়েই এই পথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের চলাচলের ওপর ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নজরদারি রয়েছে এবং সমন্বয় ছাড়া জাহাজ চলাচলের দাবি তারা সমর্থন করেন না।
আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে তা কাতার ও পাকিস্তানের কাছে স্পষ্ট করা হয়েছে। শনিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকের সমস্ত প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রই লঙ্ঘন করেছে এবং তাদেরই সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ওমান সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেই ইরান পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই