বাংলাদেশ

দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

৭ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে একগুচ্ছ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি এবং আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। এছাড়া শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকের হাতে ট্যাব সরবরাহ করা হবে। ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটাল শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

 

গণ-অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধাদের’ প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্ত্রী তাদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। এছাড়া শিক্ষা খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষায় ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কোরআনদের বিশেষ সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।

 

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী জানান, প্রশিক্ষণের জট কমাতে প্রয়োজনে একাধিক পালায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এমনকি জাতীয়করণ হওয়া ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী শিক্ষকদেরও এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

ডিবিসি/টিবিএ

আরও পড়ুন