জাতীয়

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে কৃষি অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়াকে কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে গঠিত বাছাই কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের একটি তালিকা চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠায়। সুপারিশ করা নামগুলো থেকে রাষ্ট্রপতি তিনজনকে কমিশনার নিয়োগ দেন এবং তাঁদের মধ্য থেকে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করেন।

 

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

নবনিযুক্ত কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এনবিআরের সাবেক কর কমিশনার। অর্থ বিভাগের ৪ মে ২০২৫-এর প্রজ্ঞাপনে তাঁকে দুই বছরের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। দুদকে নিয়োগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

 

অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান একজন কৃষি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক। তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গবেষণায় অবদানের জন্য তিনি ২০২০ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

 

গত ৩ মার্চ দুদকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং অন্য দুই কমিশনার পদত্যাগ করলে কমিশনের শীর্ষ পদগুলো শূন্য হয়। এরপর নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদাধিকারবলে ওই কমিটির সদস্য ছিলেন। কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 

দীর্ঘদিন কমিশন না থাকায় নতুন অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত, মামলা দায়ের ও তদন্ত প্রতিবেদন অনুমোদন এবং সম্পদ ক্রোকের আবেদনসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল। নতুন তিনজনের নিয়োগের মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিশন ফিরে পেল সংস্থাটি।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন