দু'দফা উদ্বোধন করার পরও পরিবহন ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের চাপে বন্ধ রয়েছে বেনাপোল আন্তর্জাতিক বাস টার্মিনাল। এর ফলে টার্মিনালটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য চোরাচালান ও যানজট নিরসন ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ১৬ কোটি টাকার মূল্যবান রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর ও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট হওয়ায় যশোরের বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি-বিদেশি যাত্রী পারাপার হন। এই যাত্রীদের জন্য শত শত বাস এবং পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে আসা-যাওয়া করে।
এসব বাস ও ট্রাকগুলো স্থলবন্দরের কাছে প্রধান মহাসড়কের দুই পাশে পার্ক করে রাখায় তীব্র যানজট তৈরি হয় এবং চোরাচালানের সুযোগ বাড়ে। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই স্থলবন্দর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
২০২৩ সালের ৪ঠা মার্চ টার্মিনালটি উদ্বোধন করা হলেও কয়েকদিন পরই এর কার্যক্রম থমকে যায়। পরবর্তীকালে অন্তর্বর্তী সরকার এটি পুনরায় চালু করলেও পরিবহন সিন্ডিকেটের চাপে বর্তমানে তা আবারও বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসগুলো এখনও বন্দর এলাকা থেকেই যাত্রী পরিবহন করে, যার ফলে রাস্তায় যানজট এবং অবাধে চোরাচালান—দুটোই অব্যাহত রয়েছে। তারা দ্রুত এই টার্মিনালটি সচল করার দাবি জানিয়েছেন।
বাস টার্মিনালটি নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলেও, মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে দায়সারা জবাব দিয়েছেন। তিনি এর দায় স্থানীয় পৌরসভার ওপর চাপিয়েছেন।
ডিবিসি/এএমটি