বাংলাদেশ, জাতীয়

রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিনের পরিচয়

Md. Shakil Sarder

ডিবিসি নিউজ

রবিবার ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৬:১৪:১৭ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশন থেকে তার মনোনয়ন ফরম তোলায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের নির্বাচিত হওয়ায় এখন বাকি শুধু কিছু আনুষ্ঠানিকতা।

রাজনৈতিক সংকট এবং আগামী সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় নিয়ে নিজের বিশ্বস্ত সেনানীকেই দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

মো. সাহাবুদ্দিন, যিনি জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রাম করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বীর সেনানী হিসেবে অংশ নিয়েছেন সম্মুখ সমরেও। স্বাধীন বাংলা ছাত্রপরিষদের পাবনা জেলার সভাপতি হিসেবে পাবনায় স্বাধীন বাংলার পতাকার উত্তোলনকারীও তিনি।

 

৭৫’এ বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ করায় ২০ আগস্ট সামরিক আইনের ৭ ধারায় আটক হয়ে প্রায় ৩ বছর কারাভোগ করেছেন দুদকের সাবেক এই কমিশনার। সেসময় প্রতিজ্ঞায় অটল থেকে ন্যায়নিষ্ঠ হয়ে পদ্মাসেতুর দুর্নীতির বিবরণ তুলে ধরেছিলেন রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত মো. সাহাবুদ্দিন।

 

 

পাবনার কৃতি সন্তান মো. সাহাবুদ্দিনের জন্ম ১৯৪৯ সালে। ছাত্রজীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মী ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

 

মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৮২ সালে বিসিএস ক্যাডারে বিচারিক বিভাগে যোগ দেন। কর্মজীবনে অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রম-অনুরাগের কারণে তিনি সহকারী জজ থেকে জেলা জজ, আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিত মহাসচিবসহ ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২৫ বছর পর অবসর নেন।



 



২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর নানা নৈরাজ্যের ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিশনের প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন। পরে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

সফল ও চৌকস এই ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি ১৯৭৩-৭৫ সালে পাবনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সম্পাদক, ১৯৭৮-৮২ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা সমিতির কোষাধ্যক্ষ, পাবনা জেলা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য, অন্নদা পাবলিক লাইব্রেরির আজীবন সদস্য।

আরও পড়ুন