দেশের শিক্ষা খাতের জনবল সংকট নিয়ে বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে মোট ৬০ হাজার ২৯৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এসব পদ দ্রুত পূরণে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারি কলেজগুলোতে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত প্রভাষকের ৬৫৬টি পদ এবং সদ্য সরকারিকৃত কলেজগুলোতে নন-ক্যাডার প্রভাষকের ২ হাজার ৪১০টি পদ খালি রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের ১ হাজার ৩৪৯টি পদ বর্তমানে শূন্য। তবে এর মধ্যে ১ হাজার ৩৪৪টি পদে সরাসরি নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
নিয়োগের সময়সীমা ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারি কলেজের জন্য ৪৫তম থেকে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে গত ২৯ মার্চ ই-রিকুইজিশন বা শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদ পূরণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত) আয়োজন করে প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই সমন্বিত কার্যক্রমগুলো সফল হলে দেশের শিক্ষক সংকট অনেকাংশে দূর হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিবিসি/পিআরএএন