দেশে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন জুয়া, যার ফলে দেশের ভেতরে ও বাইরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মোবাইল অ্যাপ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বর্তমানে অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজলভ্য হওয়ায় সামান্য কয়েক পয়সা থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার জুয়া খেলা হচ্ছে অনলাইনে।
নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায়ের পাশাপাশি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও এই লেনদেন চলছে। এই সর্বনাশা নেশায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষ এবং তরুণরা। টাকার জন্য পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে এবং পারিবারিক সম্পর্কে ফাটল ধরছে।
ডিজিটাল মাধ্যমে জুয়ার ব্যাপক প্রসার ঘটায় প্রতিটি মোবাইলে অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই জুয়ার রাজ্যে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে। তরুণদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, জুয়ার টাকার জোগান না পেয়ে কিশোর ও তরুণদের সঙ্গে পরিবারের কলহ বাড়ছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাবির সুমন একে মহামারির সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে লেনদেন হলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারে না। অনলাইন জুয়া বন্ধে সরকার বা বিটিআরসির ভূমিকা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডিবিসি/এএমটি