জাতীয়, রাজধানী

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৩৭ গাড়ি

ডেস্ক প্রতিবেদন

ডিবিসি নিউজ

৮ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

আগামীকাল মঙ্গলবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এ শপথ অনুষ্ঠানে দেশি বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ১২০০ অতিথিকে শপথ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের জন্য আপাতত ৩৭টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর এর অধীনস্থ পরিবহন পুল।

সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ৩৭টি গাড়ি রেডি করে রাখা হয়েছে। আরও বেশি গাড়ির প্রয়োজন হলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামীকাল দুপুরের পরপরই সেগুলো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হবে।

 

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সোমবার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‌'একজন মন্ত্রী মহোদয়ের জন্য গাড়ি লাগে, একজন দেহরক্ষী থাকেন, তার বাসস্থান কোথায় হবে সেগুলোর ব্যবস্থা করতে হয়। এগুলোর জন্য সরকার সব সময়ই প্রস্তুত।'

 

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ত্রয়োদশ সংসদের নতুন সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে। তারা একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদেরও সদস্য হবেন, সে কারণে তাদের আলাদা করে শপথ নিতে হবে। সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে সংসদ নেতা নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যেই হবু সরকারপ্রধানের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ফোন করা শুরু হবে।

 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিকাল ৪টায় নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন। এতদিন নতুন সরকারের শপথ বঙ্গভবনে হত। এবার স্থান বদল করার মাধ্যমে সেই রীতি ভাঙছে।

 

২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়েছিল। শুক্রবার রাতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭টিতে জয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি ও মিত্র দলগুলো ২১২টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।

 

ডিবিসি/কেএলডি

আরও পড়ুন