নরসিংদীতে চাচী কর্তৃক ২ মাসের শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে প্রবেশন অফিসার রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে শিশুটির চাচী অভিযুক্ত লতা বেগমে তার স্বামী কাউছার আহমেদ এবং লতার পিতা আলমাছ মিয়াকে আসামী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ এবং পিতা আলমাছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শিশুটি সদর উপজেলার পাইকারদী গ্রামের জহিরুল হক ও গৃহবধু সাইফা বেগমের দ্বিতীয় সন্তান রিজিক।
পুলিশ জানায়, দুই জা’র পারিবারিক কলহের জেরে ২ মাসের শিশুর উপর নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ফলে বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন মহলে।
ভিডিওতে দেখা যায় ২ মাসের শিশু রিজিককে খাটে শুয়িয়ে রেখে বাইরে যান মা সাইফা বেগম। মুহুর্তের মধ্যেই এক নারী এসে শিশুটির পায়ে স্বজোরে মুচড়ে দিয়ে রুম ত্যাগ করে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। এর পরই বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত লতার স্বামী ও পিতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) তাদের দুইজনকে আদালতের তোলা হবে এবং ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। এছাড়া একই দিনে শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়া হবে।
এর আগে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তুচ্ছ ঘটনায় দুই জায়ের কথাকাটাকাটি নিয়ে কিছুটা মনমালিন্য ছিল। ধারনা করা হচ্ছে সেই ক্ষোভ থেকেই চাচী এ কাজ করেছে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করা হলেও ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় সেটি আইন-আদালত পর্যন্ত গড়ালো।
ডিবিসি/আরপিডি