বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মহাব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন আমীর আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, নাবিক হয়রানি এবং নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মিললেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ নাবিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সি-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশন অবিলম্বে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছে।
আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে স্থায়ী নাবিকদের নিয়োগ না দিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দে চুক্তিভিত্তিক অফিসার নিয়োগ, বেতন বৈষম্য সৃষ্টি এবং শ্রম আইন পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। গত বছর এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ জমা দেয় বিএসসি সি-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ান তদন্ত কাজে কোনো সহযোগিতা করেননি। একাধিকবার তাকে হাজির হতে বলা হলেও তিনি উপস্থিত হননি এবং বিগত ৫ বছরের ক্রুলিস্ট সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানান। তার এমন আচরণকে তদন্তে বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক এ বিষয়ে অবগত থাকলেও এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা গ্রহণ দৃশ্যমান নয়।
অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) তার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও নাবিক সিলেকশনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে। ক্যামেরার সামনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা এসব বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালেও সাধারণ নাবিকরা দ্রুত তার অপসারণ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
ডিবিসি/ এইচএপি