জেলার সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে ঝুট নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা যুবদল নেতাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হরিহরপাড়া চাঁদনী হাউজিং এলাকায় গার্মেন্টসের পরিত্যক্ত মালামাল (ঝুট) নামানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) ফতুল্লা মডেল থানায় গুলিবিদ্ধ রাকিবুল হাসান রাকিবের বাবা ও বিএনপি নেতা মো. হোসেন খোকা বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চাঁদনী হাউজিং এলাকায় অবস্থিত একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি, রামদা, লোহার রড ও ককটেলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে বাদী হোসেন খোকাকে অবরোধ করে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে। 

 

একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পিস্তল ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে কোপ দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে তারা এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বাবার ওপর হামলার খবর পেয়ে ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তাঁর বুকের ডান পাশে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় ইমরান (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রও গুলিবিদ্ধ হয়।

 

মামলায় উল্লেখিত অন্য আসামিরা হলেন- সারজিল আহম্মেদ অভি, আব্দুল হামিদ প্রধান, মো. আব্দুস সালাম, আকাশ, সুমন মোল্লা রকেট, খায়রুল কবির জসিম, মো. ইয়াসিন, মো. আলী রতন, মো. মুরাদ হাসান, আদনান আজিজ প্রাপ্ত ও পল্লব। আসামিরা গার্মেন্টসের ঝুট নামাতে না পেরে মালিকপক্ষকে ভয়ভীতি দেখাতে এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতেই এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, এই ঘটনায় একপক্ষ মামলা করেছে এবং অপর পক্ষও একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে অস্ত্র উদ্ধারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন