বাংলাদেশ, রাজনীতি

নির্বাচন ঘিরে দেড় মাসে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ১৫টি

ডিবিসি নিউজ ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ার পাশাপাশি সহিংসতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সবশেষ গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রেজাউল করিম। এছাড়া ৮ই জানুয়ারি থেকে ২৯শে জানুয়ারি পর্যন্ত ১৭৬টি আসনে ১৯২টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ১১৯টি মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রার্থীকে ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ জন, নৌ-বাহিনীর ৫ হাজার জন, বিমান বাহিনীর ১ হাজার ২৫০ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন এবং কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‍্যাবের ৯ হাজার ৩৩৯ জন, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিএনসিসির ১৮ হাজার ৩৩৬ জন এবং ৪৫ হাজার ৮২০ জন চৌকিদার নির্বাচনী মাঠে থাকবেন।

 

ইতিমধ্যে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর মাধ্যমে দুই দফায় ৩৪ হাজার ৮৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলি নির্বাচনের আগে এসব সহিংস ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন। 

 

তবে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত ঘটা সহিংসতাগুলো বিক্ষিপ্ত ঘটনা এবং এর কোনো প্রভাব মূল নির্বাচনে পড়বে না। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি এবং প্রার্থীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।


ডিবিসি/এনএসএফ

আরও পড়ুন