নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে তাজা (সক্রিয়) হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়ায় আশির উদ্দিন শাহ নামের এক ব্যক্তির পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে র্যাব-১৩-এর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ওই পুকুরে তানভির ও আনসারুল নামে দুই যুবক গোসল করতে যান। এ সময় তানভিরের পায়ে শক্ত বস্তুটি স্পর্শ হলে পানির নিচ থেকে গ্রেনেডটি তুলে পুকুরপাড়ে এনে পলিথিনে পেঁচিয়ে রাখা হয়। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সৈয়দপুর থানায় জানানো হলেও পুলিশ সেটিকে খেলনা বলে এড়িয়ে যায়। এরপর এলাকার শিশুরা বস্তুটিকে খেলনা মনে করে খেলতে শুরু করে। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা র্যা বের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
খবর পেয়ে নীলফামারী র্যা বের কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে র্যাব-১৩, সিপিসি-২-এর একটি দল বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। গ্রেনেডটি সক্রিয় থাকায় রংপুর থেকে র্যা বের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গ্রেনেডটি সৈয়দপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে পুকুরটিতে আরও গ্রেনেড থাকতে পারে এমন শঙ্কায় সেচ দিয়ে পানি সরানোর কাজ চলছে।
এ বিষয়ে র্যা বের কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির জানান, দুপুরে সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে এসে নিশ্চিত হন এটি একটি সক্রিয় হ্যান্ড গ্রেনেড। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৩৬ মডেলের এই হ্যান্ড গ্রেনেডটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।
ডিবিসি/হাদী