এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামে দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুইপক্ষ। সংঘর্ষের সময় ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আহতদের নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়নি। এছাড়া কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে লোহাগড়া থানা সূত্রে জানা গেছে।
নড়াইল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকে জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের সাইদুল মোল্যার লোকজনের সঙ্গে জাফর মুন্সীর লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সাইদুল মোল্যার লোকজন প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় জাফর মুন্সীর লোকজন প্রতিপক্ষের হামলা প্রতিহত করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ একে-অপরকে দায়ী করেছে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় জাফর মুন্সীর সমর্থকদের ১০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থরা।
আহতরা হলেন- মুন্সী পক্ষের মিজানুর মুন্সী (৫২), ইজাজুল মুন্সী (৪০), আজিজুল মুন্সী (৪২), হানিফ সরদার (৩৫), খাজা সরকার (৬১) ও আজাদ সরদার এবং মোল্যা পক্ষের রবিউল ইসলাম (৩৬), বাচ্চু মোল্যা (৫৩), রাফেজা বেগম (৫৩) ও সাইদুর সরদার (৩২)।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
ডিবিসি/ এইচএপি