পঞ্চগড় সদর উপজেলায় করতোয়া নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজের একদিন পর বকুল ইসলাম (১৮) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের ভেলকুপাড়া এলাকায় নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভাটিতে তার মরদেহটি পাওয়া যায়।
মৃত বকুল ইসলাম সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের বকশীগঞ্জ এলাকার আলম হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে করতোয়া নদীতে মাছ ধরতে নামেন বকুল। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান। খবর পেয়ে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
পরবর্তীতে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ ডুবুরি দল এসে তল্লাশিতে যোগ দেয়। কিন্তু নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় এবং দিনের আলো ফুরিয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
এরপর শুক্রবার সকালে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এতে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের পাশাপাশি স্থানীয় প্রায় ৫০ জন বাসিন্দা অংশ নেন। দীর্ঘ তল্লাশির একপর্যায়ে নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভাটিতে বকুলের মরদেহের সন্ধান মেলে।
পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তুষার কান্তি রায় বলেন, ‘বকুল যে স্থানে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখানে পানির গভীরতা ও স্রোত তুলনামূলক বেশি ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর স্রোতের টানে মরদেহটি প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে ভেসে যায়। পরে রংপুরের ডুবুরি দলের সহযোগিতায় আমরা মরদেহটি উদ্ধার করি।’
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত যুবকের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডিবিসি/এসএস