রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয় ১০ জনকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য পন্টুনে অপেক্ষা করছিল। এ সময় একটি ফেরি এসে পন্টুনে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দিলে পন্টুনটি কেঁপে ওঠে। চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মুহূর্তের মধ্যেই ৪৫-৫০ জন যাত্রীসহ বাসটি গভীর পদ্মায় তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর মাত্র ৫-৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধার কাজে সমন্বয় করছে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ডুবন্ত বাসটিকে টেনে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, বাসের ভেতরে অন্তত ৪০ জনের মরদেহ আটকে আছে। ৫ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ ডুবুরি দল বর্তমানে পানির নিচে নিবিড় তল্লাশি চালাচ্ছে।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত মরদেহ গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা ঘাটে ভিড় করছেন, তাঁদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পদ্মার পাড়।
ডিবিসি/ এসএফএল