পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই, বরং এর ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলব্রিজের ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানান, ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে প্রকল্প এলাকায় অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল। এখন প্রকল্পের মূল নকশা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সেই মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। ভায়াডাক্টের নিচ থেকে মাটি সরানোর ফলে রেললাইন বা মূল কাঠামোর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না বলে তিনি সকলকে আশ্বস্ত করেন। মূলত প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই এই মাটি অপসারণের কাজ করা হচ্ছে।
কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট করে অস্থায়ী মাটি অপসারণ করা হবে। এর ফলে ভায়াডাক্ট বা রেললাইনের ন্যূনতম কোনো ক্ষতি হবে না; বরং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ঠিক রাখা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। সম্পূর্ণ কাঠামোটি প্রকৌশলগতভাবে শতভাগ নিরাপদ উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থেই নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ডিবিসি/পিআরএএন