পবিত্র আশুরায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বল্প পরিসরে হয়েছে তাজিয়া মিছিলের আনুষ্ঠানিকতা। করোনা উপেক্ষা করেই ইরাকের কারবালা শহরের রাজপথে বিশাল তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করা হয়।
এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাজপথ ও বড় বড় মসজিদ গুলোর আঙিনায় তাজিয়া মিছিলে অংশ নিয়েছেন মুসল্লিরা। সত্য প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ১০ই মহররম ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে কারবালা প্রান্তরে শহীদ হয়েছিলেন ইমাম হোসাইন (রা.) ও, তাঁর আত্মীয় ও সহচররা। এরপর থেকেই কারবালার সেই মর্মান্তিক ঘটনাকে শোকের আবহে স্মরণ করে আসছে মুসলিম সম্প্রদায়।
কারবালার প্রান্তরে তাদের এই আত্মত্যাগ মুসলমানদের ইতিহাসে আজও সমুজ্জ্বল। হোসাইনের সেই আত্মত্যাগের মুহূর্তটিকে স্মরণ করেই প্রতিবছর তাজিয়া মিছিলে হায় হুসেন, হায় হুসেন রব প্রতিধ্বনিত হয়।
রাজধানী বাগদাদেও ছিল আশুরার নানা আনুষ্ঠানিকতা। বড় বড় মসজিদগুলোর প্রাঙ্গন ও আশপাশের রাস্তায় তাজিয়া মিছিলে অংশ নেন মুসল্লিরা।
অন্যদিকে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানেও আশুরা ও কারবালার ঘটনাকে স্মরণ করে বের করা হয়েছে তাজিয়া মিছিল। করোনার মধ্যেই কিছু কিছু মসজিদে ছিল বড় ধরনের জমায়েত।
ইরাক-ইরান ছাড়াও আফগানিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাই, ইরান, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও সিরিয়াতেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে পবিত্র আশুরা।