শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমি ফেল করলে, ছয় মাস পর আমিও ফেল। কারও বাঁচার উপায় নেই।
শনিবার সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘আঞ্চলিক স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এসব বলেন তিনি।
এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা ও সংকটের কথা শোনেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীরা তাদের নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখার মেশিনারিজ ও ল্যাবের সব যন্ত্রপাতি পুরোনো বলে জানান।
কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করবে জানিয়ে মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কারিগরি শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবেন। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেব, কীভাবে নেব, কোথায় খরচ করব? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করব। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেব। সেজন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কী চায়, সেটা জানার চেষ্টা করছি।
সমস্যা ও সমাধান নিয়ে লিখিত দেওয়ার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। সরকার এ শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের উন্নয়নে পার্থক্য গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। শিল্পক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা প্রদান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সময় অপচয়ের কোনও সুযোগ নেই।
শিক্ষামন্ত্রীকে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরে এক শিক্ষক বলেন, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে অনুরোধের পাশাপাশি সাত বছর ধরে চাকরি করলেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন তারা। এ সময় মন্ত্রী তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আত্তীকরণ করার আশ্বাস দেন।
ডিবিসি/ এইচএপি