আন্তর্জাতিক, এশিয়া

পারস্য উপসাগরে ২ তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলা, নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

পারস্য উপসাগরে ইরাকি জলসীমায় দুটি বিদেশি তেল ট্যাংকারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আগুনে পুড়ে যাওয়া জাহাজ দুটি থেকে ৩৮ জন বিদেশি ক্রু সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, পানির নিচের ড্রোন ব্যবহার করে এই জোড়া হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায় স্বীকার করেছে।

ইরাকের বন্দর কোম্পানির মহাপরিচালক ফারহান আল-ফারতুসি বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিএনএনকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত ক্রুরা সকলেই বিদেশি নাগরিক। তবে হামলায় জাহাজগুলোর কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে হামলার পরপরই তেল বন্দরগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

হামলার স্বীকার হওয়া জাহাজ দুটি হলো মাল্টার পতাকাবাহী ‘জেফাইরোস’ এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ‘সেফসি বিষ্ণু’। এর মধ্যে ‘সেফসি বিষ্ণু’র নিবন্ধিত মালিক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি সেফসি ট্রান্সপোর্ট ইনকর্পোরেটেড এবং ‘জেফাইরোস’ এর মালিকানা গ্রিসের একটি প্রতিষ্ঠানের। ইরাকের তেল বিপণন সংস্থা সোমো জানিয়েছে, ইরাকি জলসীমার অভ্যন্তরে সাইডলোডিং এলাকায় অবস্থানকালে জাহাজগুলোতে আকস্মিক আক্রমণ চালানো হয়। হামলার সময় ‘জেফাইরোস’ খোর আল-জুবায়ের বন্দরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং বসরা গ্যাস কোম্পানির জন্য কনডেনসেট বহন করছিল।

 

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরাক। ইরাকের যৌথ অপারেশন কমান্ডের মিডিয়া প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাদ মান এটিকে ইরাকি সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার ইরাক সংরক্ষণ করে। এর আগে বসরার একটি ইরাকি নিরাপত্তা সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছিল, বিস্ফোরক ভর্তি একটি ইরানি নৌকা জাহাজ দুটিতে আঘাত হেনেছে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নিবিড় তদন্ত চলছে।

 

তথ্যসূত্র: সিএনএন

 

ডিবিসি/এএমটি

আরও পড়ুন