জাতীয়

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

পিলখানায় সংঘটিত মর্মান্তিক সেনা হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে ফ্যাসিবাদের অবসান হওয়ায় দেশবাসীর কাছে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন অনেকটাই বোধগম্য।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) 'জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে উল্লেখ করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। একটি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার অবকাশ না থাকলেও তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূলত দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ববিরোধী গভীর তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। দেশের প্রতিটি নাগরিকের এই বিষয়টি উপলব্ধি করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মনে করেন।


২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। ওই দিনের ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শাহাদাত বরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিগত বছরগুলোতে এই দিনটিকে যথাযথ গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি মর্যাদার সাথে 'শহীদ সেনা দিবস' হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আজকের এই শোকাবহ দিনে তিনি সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।


সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কখনোই যেন কেউ আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, শহীদ সেনা দিবসে সবাইকে নতুন করে সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

 

ডিবিসি/পিআরএএন

আরও পড়ুন