পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে আবারও লটারি প্রথা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সংশোধিত পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএসইসি জানায়, এখন থেকে আইপিওতে আসা কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে চাইলে কোনো কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা হতে হবে এবং অন্তত ১০ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ছাড়তে হবে। আইপিওতে ফিক্সড প্রাইস ও বুক বিল্ডিং উভয় পদ্ধতিই বহাল থাকবে। তবে পাবলিক অফারিংয়ের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের ৯০ শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে বিনিয়োগ করতে হবে।
এছাড়া ইস্যু ম্যানেজারদের দায়বদ্ধতা জোরদার করা হয়েছে; প্রথমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ যাচাই-বাছাই করবে, এরপর বিএসইসি চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। ঋণ পরিশোধে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ অর্থ ব্যবহার করা গেলেও খেলাপি ঋণ শোধে তা ব্যবহার করা যাবে না।
ডিবিসি/এএমটি