বাংলাদেশ, জেলার সংবাদ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সোনারচর, চর কলাগাছিয়া, চর তুফানিয়া দ্বীপ

Md. Shakil Sarder

ডিবিসি নিউজ

বৃহঃস্পতিবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৩:৩০:৪৪ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের সোনারচর, চর কলাগাছিয়া, চর তুফানিয়া ও জাহাজমারায়। এখান থেকে দেখা মেলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের। পর্যটক আকর্ষণের জন্য দরকার যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন।

পটুয়াখালীর মূল ভূখন্ড থেকে উত্তাল আগুন মুখা নদী পাড়ি দিয়ে যেতে হয় রাঙ্গাবালী উপজেলা।  বিশাল জলরাশি, বালুকাবেলায় ঝিনুকের সমাহার আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সোনারচর, চর কলাগাছিয়া, চর তুফানিয়া, জাহাজমারা দ্বীপ।

ভ্রমণ পিপাসু অনেকের কাছেই অজানা এইসব স্পটের কথা। শীতের সময় লাখ লাখ অতিথি পাখির কলকাকলীতে মুখর থাকে এই দ্বীপগুলো। এখানে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রয়েছে কেওড়া, ছৈলা, বাইং, নীম, খৈয়া বাবলা, বাবলা, বলই, ঝাউসহ লাখ লাখ গাছ। সৈকতে রয়েছে সাদা স্যান্ড বিচের সৌন্দর্য।

পর্যটকদের মতে, এই জায়গাটা দেখে বাইরের দেশের সমুদ্র সৈকতের সুন্দর দৃশ্যের কথা মনে পড়ে যায়।

তবে এসব স্পটে আসার বড় বিড়ম্বনা যোগাযোগ ব্যবস্থা।  এছাড়া পর্যাপ্ত হোটেল মোটেল, সৈকতে বিশ্রামাগার, টয়লেট সমস্যার কথা জানান পর্যটকরা।

পর্যটকরা আরও জানায়, এখানে বিশ্রামাগার, চলাফেরার ভাল ব্যবস্থা থাকলে জায়গাটা আর জনপ্রিয় হয়ে উঠত। কারণ এখানে আসতে যাতায়াতের অনেক অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়।

পর্যটন কপোরেশনের কাছে রাঙ্গাবালীর চারটি পর্যটন স্পট নিয়ে একটি ট্যুরিস্ট জোনের সুপারিশ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, 'প্রস্তারণা দিয়েছি রাঙ্গাবালীর চারটি পর্যটন স্পটকে একত্রিত করে একটি  ট্যুরিস্ট জোন করার জন্য। জায়গাগুলোতে কিছুটা উন্নয়ন করা হচ্ছে, ফেরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফেরিতে বসা যায় যেন, সে ব্যবস্থা করছি। সেখানে টিউবওয়েল, বেঞ্চ বসিয়েছি এবং একটা রাস্তাও করেছি।' 

যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে সোনারচর, চর কলাগাছিয়া, চর তুফানিয়া, জাহাজমারা দ্বীপের অপরুপ সৌন্দর্য ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে নতুন মাত্রা পাবে-এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন